Header Ads Widget

Ticker

6/recent/ticker-posts

ভারত নাকি নিউজিল্যান্ড; কে জিতবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসর?

ICC Champions Tropfy-2025 Final

সব জল্পনা-কল্পনা ছাড়িয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দুই ফাইনালিস্টকে পেয়ে গেছে ক্রিকেট বিশ্ব! আগামী ৯ই মার্চ দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসরের ফাইনাল। ১ম সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে টিম ইন্ডিয়া। আর গতকাল লাহোরের ব্যাটিং স্বর্গে সাউথ আফ্রিকাকে ৫০ রানে হারিয়ে ১৬ বছর পর আবারও ফাইনালের টিকিট কেটেছে কিউইরা। সর্বশেষ ২০০৯ সালে সাউথ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার সাথে হেরে রানার্স আপ হয়েছিল নিউজিল্যান্ড! 

ফাইনালের আগে আবারও হিসাবনিকাশ শুরু হয়েছে কে জিতবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির এবারের আসর? বাজির দর ভারতের দিকে বেশি থাকবে সেটাই স্বাভাবিক! তবে খেলাটা ক্রিকেট, শেষ বল না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যায় না। সাম্প্রতিক পারফরমেন্স, কন্ডিশন, স্কোয়াড, পরিসংখ্যান ও রেকর্ড বিবেচনায় ভারতকে অনেকে এগিয়ে রাখতে চাইবে। ভারত এই টুর্নামেন্টে একমাত্র অপরাজিত দল। গ্রুপ ম্যাচে স্বল্প পুঁজি নিয়েও নিউজিল্যান্ডকে ৪৪ রানে হারানোর স্মৃতি টিম ইন্ডিয়াকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে। অন্যদিকে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায়ও ভারতকে এগিয়ে রাখতে হবে। ভারত এই মুহূর্তে ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে ১ নম্বর দল যেখানে নিউজিল্যান্ডের অবস্থান ৫ম। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের সাথে শেষ ৬টি ওয়ানডে ম্যাচের সবগুলোই জিতেছে ভারত।

বিগত কয়েক বছর ধরে উপমহাদেশের ভেতরে অথবা বাইরে ভারত খুবই ধারাবাহিক দল। সর্বশেষ  টি২০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল ভারত। ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের রানার্সআপ এবং সর্বশেষ ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালিস্টও তারা। এ পর্যন্ত মোট দুইবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের স্বাদ পাওয়া ভারতের লক্ষ্য এবার ৩য় ট্রফি জয়। দুবাইয়ের মাঠ ও কন্ডিশন তাদের মুখস্থ। কারণ এই টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচই তারা খেলছে একই ভেন্যুতে। তাই দুবাইয়ের স্পিন সহায়ক ব্যাটিং উইকেটে ফাইনালে জিততে না পারাটাই হবে ভারতের জন্য বড় আপসেট। 

অন্যদিকে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে গ্রুপ ম্যাচে হারের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য প্রস্তুত নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনালে  সাউথ আফ্রিকার সাথে ৩৬২ রান এবং প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের সাথে ৩২০ রান করাটা তাদের ব্যাটিং সামর্থ্যের প্রমাণ। দলে কেইন উইলিয়ামসন, রাচিন রবীন্দ্রের মত নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান রয়েছে, সাথে ল্যাথাম, মিচেল ও ফিলিপসের মত হার্ড হিটাররা রয়েছেন। এরা যে কোনো সময় যে কোনো দলের জন্য ত্রাস হয়ে উঠতে পারে। এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি (৫টি) নিউজিল্যান্ড দলের। তাই ছেড়ে দেওয়ার দল নিউজিল্যান্ড না। ২০০০ সালের চ্যাম্পিয়নদের সামনে আবারও চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ছুঁয়ে দেখার হাতছানি। ফাইনালে ভারতকে পরাস্ত করতে সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই  করতে প্রস্তুত কিউইরা। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ